Posts

Showing posts from December, 2025

কুরআন কি বলে সূর্য পঙ্কিল জলাশয়ে ডুবে ?

Image
  কুরআন কি বলে সূর্য পঙ্কিল জলাশয়ে ডুবে ? নাস্তিকদের একটি প্রচলিত অভিযোগ হলো" কুরআন নাকি সূর্যকে পঙ্কিল জলাশয়ে ডুবে যেতে দেখিয়েছে, যা তাদের মতে একটি “বৈজ্ঞানিক ভুল”। এই অভিযোগের ভিত্তি তারা দাঁড় করায় সূরা কাহফের একটি আয়াতকে ঘিরে। আয়াতটি হলো—  حَتَّىٰ إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ “অবশেষে সে যখন সূর্যের অস্তাচলে পৌঁছাল, তখন সে সূর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখল…” (সূরা কাহফ: ৮৬) এখানেই নাস্তিকদের আপত্তি—তারা দাবি করে, কুরআন নাকি বলছে সূর্য বাস্তবেই কাদা-পানির মধ্যে ডুবে যায়। অথচ কুরআন এমন কথা মোটেও বলেনি। কুরআন আসলে কী বলছে? এই আয়াতে কুরআন সূর্যের প্রকৃত অবস্থান বা জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক গতি ব্যাখ্যা করছে না। বরং এখানে বলা হচ্ছে—  যুলকারনাইন কী দেখেছিলেন, তার দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা হয়েছে। আয়াতে ব্যবহৃত শব্দটি হলো “وَجَدَهَا”—অর্থাৎ  “সে সূর্যকে এমনভাবে অস্ত যেতে দেখল” এটি একটি মানবিক পর্যবেক্ষণের বর্ণনা, কোনো বৈজ্ঞানিক ঘোষণা নয়। “হামি’আহ” (حَمِئَةٍ) শব্দের অর্থ কী? حَمِئَةٍ (হামি’আহ) শব্দের অর্থ— কালো রঙ...

দুই সমুদ্রের জল না মিলিত হওয়ার রহস্য

Image
 কুরআন মাজীদ আমাদের জন্য সর্বপ্রথম ও সর্বোচ্চভাবে হিদায়াতের কিতাব। এটি কোনো বিজ্ঞানের পাঠ্যবই নয়; বরং মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্যই নাযিল হয়েছে। তবুও কুরআনের কিছু আয়াতে এমন গভীর বাস্তবতার ইঙ্গিত রয়েছে, যা আধুনিক বিজ্ঞান আজ গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে আবিষ্কার করছে। এর অর্থ এই নয় যে কুরআন বিজ্ঞান শেখাতে এসেছে, বরং এর ভাষা ও বর্ণনা এতটাই নিখুঁত ও সার্বজনীন যে, ১৪০০ বছর আগে বলা কথাগুলো আজকে আমাদের জন্য স্পষ্ট নিদর্শন যাতে ঈমান আরো বৃদ্ধি হয়। এর একটি অসাধারণ উদাহরণ হলো আল্লাহ তায়ালার এই বাণী: وَهُوَ الَّذِي مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ هَٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ وَهَٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَجَعَلَ بَيْنَهُمَا بَرْزَخًا وَحِجْرًا مَّحْجُورًا তিনিই সেই সত্তা যিনি দুই সমুদ্রকে মিলিতভাবে প্রবাহিত করেছেন; একটি মিষ্টি, সুপেয় এবং অপরটি লবণাক্ত, খর; উভয়ের মধ্যে রেখে দিয়েছেন এক অন্তরায়, এক অনতিক্রম্য ব্যবধান।  (সূরা আল-ফুরকান: ৫৩) সাধারণভাবে আমরা প্রায়ই এমন ছবি দেখি, যেখানে বলা হয়—“দেখো, দু’টি সমুদ্র পাশাপাশি প্রবাহিত হচ্ছে, কিন্তু একে অপরের সঙ্গে মিশছে না—এটাই কুরআনের মু‘জিযা।” কথাটি আং...
Image
  এই পৃথিবী ভিন্ন মত, ভিন্ন ভাষা আর ভিন্ন পরিচয়ে ভরা। কিন্তু কোনো কোনো মানুষের জীবন এমন হয়, যা সব ভেদাভেদ ছাপিয়ে সত্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক নীরব সাক্ষ্য হয়ে ওঠে। অধ্যাপক জোয়েল হেওয়ার্ড ঠিক তেমনই একজন মানুষ—যার জীবন কেবল একাডেমিক সাফল্যের গল্প নয়, বরং এক অন্তরের যাত্রা। ২০২৩ সালে বিশ্বের ৫০০ জন সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিমকে নিয়ে প্রকাশিত মর্যাদাপূর্ণ গ্রন্থ The Muslim 500-এ তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া হয়তো তাঁর নিজের কাছেই অপ্রত্যাশিত ছিল, কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই—এটি তাঁর দীর্ঘদিনের জ্ঞানচর্চা ও অবদানের যথার্থ স্বীকৃতি। ব্রিটিশ–নিউজিল্যান্ডীয় বংশোদ্ভূত অধ্যাপক হেওয়ার্ড যুদ্ধ ও সামরিক কৌশলের একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ। তাঁর পিতার সামরিক পটভূমি তাঁকে এই বিষয়ে আগ্রহী করে তোলে। তিনি যুদ্ধকে দেখতেন মানুষের চরিত্র পরীক্ষার এক কঠিন ময়দান হিসেবে—যেখানে চরম পরিস্থিতিতে আত্মত্যাগ, ভ্রাতৃত্ব ও সাহসের মতো গুণাবলি উন্মোচিত হয়। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ক্যান্টারবেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জনের পর তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে লুফটওয়াফের কার্যক্রম নিয়ে গবেষণা করেন। এরপর যু...

পৃথিবী গোল নাকি সমতল এ ব্যাপারে কুরআন কী বলে?

Image
 পৃথিবী গোল নাকি সমতল এ ব্যাপারে কুরআন কী বলে?  আল কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে এ ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহর প্রাচীন আলিমদের ইজমা বা ঐক্যমত ছিল যেঃ পৃথিবী গোল। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়া(র.) বর্ণনা করেছেনঃ আবুল হুসাইন ইবনুল মুনাদি(র.) {ইমাম আহমাদ(র.) এর ছাত্রের ছাত্র } বলেছেন,   وكذلك أجمعوا على أن الأرض بجميع حركاتها من البر والبحر مثل الكرة . قال : ويدل عليه أن الشمس والقمر والكواكب لا يوجد طلوعها وغروبها على جميع من في نواحي الأرض في وقت واحد ، بل على المشرق قبل المغرب অর্থঃ “...একইভাবে তাঁরা (আলেমগণ) একবাক্যে একমত হয়েছেন যে, ভুপৃষ্ঠ এবং সমুদ্র ধারণকারী পৃথিবী একটি গোলকের ন্যায়। তিনি বলেন, এর ইঙ্গিত তো পাওয়া যায় এই ব্যাপারটি থেকে - সূর্য, চন্দ্র এবং তারকারা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে একই সাথে উদয় ও অস্ত যায় না। বরং এটি (উদয়-অস্ত) পশ্চিম দিকের চেয়ে পূর্বদিকে আগে ঘটে।”  মাজমু আল ফাতাওয়া ২৫/১৯৫ আবু মুহাম্মাদ ইবন হাজম(র.) বলেছেনঃ وهذا حين نأخذ إن شاء الله تعالى في ذكر بعض ما اعترضوا به ، وذلك أنهم قالوا : إن البراهين قد صحت بأن الأرض كروية ، والعامة تقول غير ذلك ، وجوابنا...

মানুষ এবং শিম্পাঞ্জির ডিএনএ

Image
মানুষ ও শিম্পাঞ্জির ডিএনএ নিয়ে যখন বলা হয় যে “৯৮–৯৯% মিল”, তখন বেশিরভাগ মানুষ ধরে নেয়—প্রায় একই প্রাণী, শুধু একটু উন্নত সংস্করণ। কিন্তু বাস্তবতা এতটা সরল নয়। এই শতাংশটি পাওয়া হয় খুব নির্দিষ্টভাবে কিছু জিন বেছে নিয়ে, তাও শুধু প্রোটিন তৈরির অংশ (coding DNA) তুলনা করে। অথচ মানুষের পুরো ডিএনএর মাত্র ১–২% এই অংশ। বাকি বিশাল অংশ—যেখানে জিন নিয়ন্ত্রণ, timing, activation–deactivation, chromosome বিন্যাস—এসবই আসল পার্থক্য তৈরি করে, সেগুলো এই হিসাবের বাইরে থাকে। যখন পুরো genome একসাথে তুলনা করা হয়, তখন দেখা যায় মানুষ ও শিম্পাঞ্জির মধ্যে কোটি কোটি base pair-এর পার্থক্য আছে। শুধু অক্ষরের অদলবদল নয়, অনেক জায়গায় বড় অংশ ঢোকানো হয়েছে, অনেক জায়গা বাদ গেছে। হাজার হাজার gene duplication ও rearrangement আছে। এই সব মিলিয়ে কার্যকরী পার্থক্য ১০–১৫ শতাংশ বা তারও বেশি হয়, যা জীববিজ্ঞানে খুবই বড় পার্থক্য। Chromosome-এর ক্ষেত্রেও বড় ফারাক আছে। মানুষে ৪৬টি chromosome, শিম্পাঞ্জিতে ৪৮টি। এ নিয়ে বলা হয় মানুষের chromosome 2 নাকি শিম্পাঞ্জির দুটি chromosome জোড়া লেগে তৈরি। কিছু মিল খোঁজা যায় ঠিকই, কিন্তু সেই “fusi...

বিজ্ঞানের অন্ধবিশ্বাস

Image
 " বিজ্ঞানের অন্ধবিশ্বাস "  নাস্তিকদের কথা হল বিজ্ঞান Electron (ইলেকট্রন) বা Gravity (মহাকর্ষ)-এর মতো অদৃশ্য বিষয়গুলোকে এই কারণে গ্রহণ করে যে সেগুলোর প্রভাব ল্যাবরেটরিতে মাপা যায়। অর্থাৎ সেগুলো Measurable (পরিমাপযোগ্য) এবং সর্বোপরি Falsifiable (ভুল প্রমাণযোগ্য)। মানে, আগামীকাল যদি নতুন কোনো ডাটা আসে, তাহলে বিজ্ঞান তার পুরোনো তত্ত্ব বাতিল করে দেবে। কিন্তু ধর্মীয় গায়েব (ঈশ্বর) এই প্রকৃতির নয়, কারণ তিনি না Test Tube (পরীক্ষানল)-এ আসেন, না তাঁকে ভুল প্রমাণ করার কোনো কার্যকর Methodology (পদ্ধতিগত কাঠামো) আছে। সুতরাং, এই দুই বিষয়কে একই “গায়েব” বলা নিছক শব্দের খেলা। দেখতে এই যুক্তি এতটাই শক্ত, এতটাই বৈজ্ঞানিক ও ভারী যে সাধারণ বুদ্ধি সহজেই এর সামনে আত্মসমর্পণ করে। কিন্তু যদি আমরা Philosophy of Science (বিজ্ঞানের দর্শন)-এর একটু গভীরে যাই এবং Science (বিজ্ঞান) ও Scientism (বিজ্ঞানকেই একমাত্র সত্য মানার মতবাদ)-এর পার্থক্য বুঝতে চেষ্টা করি, তাহলে আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়—এই আপত্তি আসলে একটি বড় Category Error (ধারণাগত শ্রেণিবিভাগের ভুল)-এর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এই ভুল বোঝাবুঝি দূ...

পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড নিয়ে ভাবুন

Image
  এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সৃষ্টিকর্তাকে চেনার জন্য আপনাকে মহাবিশ্ব, গ্যালাক্সি নিয়ে ভাবা লাগবেনা এমনকি সৌরজগতও না আপনি আপনার বাসস্থান পৃথিবী নিয়ে ভাবেন, হতবাক হয়ে যাবেন। । আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে এই পৃথিবীতে সৃষ্টি করে তার অসংখ্য নিদর্শন দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, যাতে আমরা চিন্তা করি এবং তার মহত্ত্ব উপলব্ধি করি।  কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে: “আর আমি আকাশকে করেছি সুরক্ষিত ছাদস্বরূপ, অথচ তারা তার নিদর্শনসমূহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।” (সূরা আম্বিয়া: ৩২) এই আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা আকাশকে سقفا محفوظًا” (সুরক্ষিত ছাদ) বলে অভিহিত করেছেন। এটি পৃথিবীর জন্য এক অদৃশ্য ঢালস্বরূপ, যা সূর্য থেকে আগত ক্ষতিকর সৌর বায়ু (solar wind) এবং মহাকাশের বিপজ্জনক কণা থেকে আমাদের রক্ষা করে। কেন সুরক্ষিত ছাদ আসুন দেখি  পৃথিবীর অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা চৌম্বক ক্ষেত্র (Earth's magnetic field) একটি অদৃশ্য শক্তি যা আমাদের গ্রহকে বিভিন্ন বহিরাগত হুমকি থেকে রক্ষা করে। এটি পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অংশ, বিশেষ করে বাইরের তরল কোর (outer core) থেকে উৎপন্ন হয়, যেখানে গলিত লোহা এবং নিকেলের গতিশীলতা (convection currents) এই ক্ষে...
Image
 চোখের ধোঁকা এবং বুদ্ধির উড়ান: ‘গায়েব’ কি শুধু ধর্মের বিষয় নাকি বিজ্ঞানের বাধ্যবাধকতা? - বিলাল শওকত আজাদ যে জিনিস চোখে দেখা যায় না, তার অস্তিত্ব কি নেই? এটি সেই প্রাচীন এবং মৌলিক প্রশ্ন যা মানব ইতিহাসে "ম্যাটেরিয়ালিস্টদের" এবং "ধার্মিকদের" মধ্যে একটি লাইন টেনে রেখেছে। আমাদের যুগের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক ট্র্যাজেডি এই যে, আমরা "গায়েব" (The Unseen) শব্দটিকে শুধু মসজিদেবং গির্জার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলেছি। সাধারণ মনে এই ধারণা গেঁথে গেছে যে "বিজ্ঞান" হলো সেই জিনিসের নাম যা সামনে টেবিলে রাখা আছে, যাকে ছোঁয়া যায়, ওজন করা যায় এবং দেখা যায়, আর "ধর্ম" হলো কল্পিত কথা, পরীদের গল্প এবং অতীন্দ্রিয় ধারণার নাম যার বাস্তবতার সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু যখন আমরা এই বর্ণনার উপরের স্তরটি খোসা ছাড়িয়ে বাস্তবতার গভীরে প্রবেশ করি, তখন আমাদের একটি চমকপ্রদ উদঘাটন হয়। সেই উদঘাটন এই যে, যাকে আমরা "বৈজ্ঞানিক জ্ঞান" বলি, তার নিজের অস্তিত্বও "গায়েব"-এর স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে। গায়েব শুধু ধার্মিক শব্দ মাত্র নয়, বরং তার বিস্ত...
Image
 এক অচেনা ব্যাক্তি যিনি পবিত্র দুই মসজিদ মক্কা এবং মদিনাতে রোদে শীতল থাকে এমন মার্বেল বসিয়ে এক পয়সাও নেননি। ড. মোহাম্মদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮–২০০৮) তিনি ছিলেন একজন মিশরীয় ইঞ্জিনিয়ার—যিনি আলোর ঝলক, প্রশংসা বা খ্যাতি কিছুই চাননি। সমস্ত জীবন কাটিয়েছেন নিভৃত, নীরব, অজ্ঞাত থাকতেই তার ভালো লাগত। অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী এই মানুষটি মিশরের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে হাইস্কুল পাস করেন। এরপর সর্বকনিষ্ঠ ছাত্র হিসেবে রয়্যাল স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে স্নাতক হন। পরে ইসলামী স্থাপত্যে ইউরোপ থেকে এক নয়, তিন–তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। এমনকি অল্প বয়সেই রাজা তাকে “নাইল স্কার্ফ” ও “আয়রন” উপাধিও প্রদান করেন। দুই পবিত্র মসজিদের স্থপতি তিনি ছিলেন প্রথম ইঞ্জিনিয়ার যিনি মক্কা ও মদিনা দুটি পবিত্র মসজিদের সম্প্রসারণ প্রকল্পের দায়িত্ব পান। কিন্তু শাহ ফাহদ ও বিখ্যাত বিন লাদেন কোম্পানি বারবার অনুরোধ করলেও তিনি তার নকশা ও তত্ত্বাবধানের জন্য এক রিয়াল পারিশ্রমিকও নেননি। তিনি শুধু একটি বাক্য বলেছিলেন— “আমি আল্লাহর ঘরের সেবার জন্য টাকা নেব? কিয়ামতের দিন আল্লাহকে কী জবাব দেব?” ৪৪ বছর বয়সে বিবাহ করেন, ক...

পাপের জৈবিক প্রকিয়া

Image
  পাপের জৈবিক প্রক্রিয়া এবং ভাইসম্যান ব্যারিয়ারের পতন: আমাদের কর্ম কি আমাদের জিনের ‘সোর্স কোড’ লিখে দিচ্ছে? (একটি বিশদ, গবেষণাধর্মী ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ: ট্রান্সজেনারেশনাল এপিজেনেটিক উত্তরাধিকার এবং মানব অস্তিত্ব রক্ষার যুক্তি; পাঠকদের দুইটি প্রশ্নের প্রমাণসহ বিস্তারিত উত্তর) দশকের পর দশক ধরে জীববিজ্ঞানের ক্লাসে আমাদের একটি নিয়ম মুখস্থ করানো হয়েছে, যার নাম “ভাইসম্যান ব্যারিয়ার” (Weismann Barrier)। উনিশ শতকের জার্মান জীববিজ্ঞানী আগুস্ট ভাইসম্যান (August Weismann) এই তত্ত্বটি পেশ করেছিলেন। তার মতে— > “দেহকোষে (Somatic Cells) সংঘটিত কোনো পরিবর্তন প্রজনন কোষে (Germline Cells—শুক্রাণু/ডিম্বাণু) স্থানান্তরিত হতে পারে না।” সহজ ভাষায়, আপনি যদি জিমে গিয়ে বডিবিল্ডার হন, আপনার সন্তান পেশিবহুল হয়ে জন্মাবে না। আপনি যদি কোনো দক্ষতা অর্জন করেন, সেটিও সন্তানের মধ্যে সঞ্চারিত হবে না। এই তত্ত্ব আমাদের এক ধরনের মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়েছিল— যেন আমরা ব্যক্তিগত জীবনে যা খুশি করতে পারি (মদ্যপান, ব্যভিচার, অতিরিক্ত মানসিক চাপ), তার কোনো প্রভাব আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের উপর পড়বে না, কারণ আমাদের “শু...
Image
  পৃথিবীর অভ্যন্তরে কি একটি প্রাকৃতিক ইঞ্জিন লাগানো আছে? এটা সত্যিই হৃদয়বিদারক যে কিছু লোক আল্লাহ তা’আলার অস্তিত্বকে স্বীকার করতে অস্বীকার করে, অথচ তার নিদর্শনসমূহ মহাবিশ্বের প্রতিটি দিকে ছড়িয়ে আছে। পৃথিবী ও আকাশ, দিন ও রাত, মানুষের অস্তিত্ব, প্রকৃতির ব্যবস্থা—সবকিছু আল্লাহর একত্ববাদ এবং ক্ষমতার সাক্ষ্য দেয়।   আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন: سَنُرِيهِمْ آيَاتِنَا فِي الْآفَاقِ وَفِي أَنْفُسِهِمْ حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُ الْحَقُّ আমি শীঘ্রই তাদেরকে আমার নিদর্শনসমূহ দেখাব আকাশ-পৃথিবীর দিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে, যতক্ষণ না তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে এটা সত্য। — সূরা ফুসসিলাত: ৫৩) এই লোকদের হৃদয় সম্ভবত দুনিয়ার মোহ, পক্ষপাতিত্ব বা অজ্ঞতার কারণে অন্ধ হয়ে গেছে। তাদের সামনে সত্য স্পষ্ট থাকলেও তারা দেখতে এবং স্বীকার করতে প্রস্তুত নয়। এটাও মনে রাখা জরুরি যে হিদায়াত দেওয়া আল্লাহ তা’আলার ইখতিয়ারে, আমাদের কাজ শুধু সত্যকে চিনে নেওয়া।   রব তা’আলা সবার হৃদয়কে ঈমানের নূরে আলোকিত করুন এবং তাদের সত্য বোঝার তৌফিক দান করুন। আমিন। বিংশ শতাব্দীতে ওয়াল্টার এম....
Image
  ফিরাউনের লাশের সামনে যে অধ্যাপক নতজানু হয়ে গেলেন। আমরা জানি ফিরাউনের স্ত্রী ঈমান এনেছিল। কিন্তু কে জানত যে ফিরাউনের লাশ গবেষণা করে কেউ ঈমান আনবে। ১৯৮১ সাল। ফ্রান্সের বিখ্যাত সার্জন এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ড. মরিস বুকাইল—একজন খ্যাতিমান বিজ্ঞানী, যিনি ধর্ম নিয়ে কখনোই গভীর আগ্রহ দেখাননি। তিনি কেবল বিজ্ঞানকেই সত্যের একমাত্র মানদণ্ড মনে করতেন। সেদিন মিশর সরকার তাকে এক বিশেষ কাজে ডাকে— সমুদ্র বিভাজনের সময় ডুবে মারা যাওয়া ফিরাউনের সংরক্ষিত মমি পরীক্ষা করা। বুকাইল ভাবেন, “হয়তো ইতিহাসের এক অংশ জানতে পারব।” কিন্তু তিনি জানতেন না— এই লাশই তাকে নিয়ে যাবে সেই সত্যের কাছে, যাকে তিনি সারা জীবন এড়িয়ে গেছেন।  অবিশ্বাস্য আবিষ্কার যখন তিনি ফিরাউনের লাশের ক্ষতচিহ্ন, হাড়, ত্বক ও অভ্যন্তরীণ অংশ পরীক্ষা করেন— তিনি বিস্মিত হয়ে যান। শরীরের ভেতরে ডুবে মৃত্যুর প্রমাণ এখনো স্পষ্ট। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়— এই লাশটি সংরক্ষণ করা হয়েছে এক অস্বাভাবিকভাবে নিখুঁত অবস্থায়। বুকাইল বলেন, “সমুদ্রের পানিতে ডুবলে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা। এখানে কেন হলো না?” তিনি আরও গবেষণা করেন… তাদের সামনে আসে আরও বিস্ম...
Image
  বিজ্ঞানের ‘ বস’ সিজদায় লুটিয়ে পড়ল: ইলন মাস্কের ঈশ্বরস্বীকার এবং আধুনিক নাস্তিকতার কফিনে শেষ পেরেক! একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো—প্রযুক্তির ঝলকানিতে মানুষ নিজেরই “দূরদৃষ্টি” হারিয়ে ফেলেছে। আমাদের বলা হয়েছিল, বিজ্ঞান ঈশ্বরকে কবর দিয়েছে (“God is dead”), আর এখন রকেট বানানো মানুষ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সৃষ্টি করা ব্যক্তি, আর মঙ্গলে বসতি গড়ার স্বপ্নদ্রষ্টারাই আমাদের নতুন “ঈশ্বর”। কিন্তু বন্ধুরা! প্রকৃতির প্রতিশোধ দেখুন আজ সেই প্রযুক্তিরই সবচেয়ে বড় গুরু একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রখর মস্তিষ্ক, বস্তুগত উন্নতির প্রতীক—ইলন মাস্ক (Elon Musk)—ঠিক সেই দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে, যাকে বলা হয় “ধর্ম”। এই খবর যে ইলন মাস্ক ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন—এটা সোশ্যাল মিডিয়ার সাধারণ কোনো শিরোনাম নয়; এটা আধুনিক নাস্তিকতা (New Atheism)-এর মুখে এমন এক জ্ঞানগত চপেটাঘাত, যার প্রতিধ্বনি নিশ্চয়ই রিচার্ড ডকিন্স ও স্যাম হ্যারিসের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই খবরের গুরুত্ব বুঝতে হলে আগে ইলন মাস্কের মানসিক পটভূমি বোঝা দরকার। তিনি কোনো প্রথাগত ধর্মীয় মানুষ ছিলেন না। দক্ষিণ আফ্রিকায...
Image
 গবেষণাগারের নীরবতা থেকে কুরআনের আলো বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের মিলনবিন্দুতে ড. ফাতিমা জ্যাকসন।” ড. ফাতিমা জ্যাকসন স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনার সময় তিনি ডুবে ছিলেন জেনেটিক্স, মানব জীববিজ্ঞান ও নৃতত্ত্বের জটিল প্রশ্নে। মানুষের উৎপত্তি, বৈচিত্র্য, জীবনধারার নেপথ্যের নিয়ম—সবকিছু তিনি খুঁজছিলেন বৈজ্ঞানিক যুক্তি ও পরীক্ষার আলোকে। কিন্তু সেই অনুসন্ধানের মাঝেই তার অন্তরে জন্ম নিচ্ছিল এক গভীর প্রশ্ন: এই সুবিন্যস্ত নিয়ম, এই সূক্ষ্ম সামঞ্জস্য, এই অর্থবহ জটিলতা—এর নৈতিক ভিত্তি কোথায়? বিজ্ঞান তাঁকে “কীভাবে” শেখাচ্ছিল, কিন্তু “কেন” প্রশ্নটির উত্তর কোথাও যেন অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিল। এই সময়েই তিনি ইসলামের সঙ্গে পরিচিত হন—প্রথমে পাঠের মাধ্যমে, পরে চিন্তার মাধ্যমে। কুরআনের আয়াতগুলো তার কাছে শুধু ধর্মীয় বাণী ছিল না; সেগুলো ছিল এমন এক ভাষা, যা মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা, জীবনের উদ্দেশ্য ও মানুষের দায়িত্বকে একসূত্রে বেঁধে দেয়। তিনি আবিষ্কার করলেন, ইসলাম অন্ধ বিশ্বাস চায় না—বরং চিন্তা করতে বলে, প্রশ্ন করতে উৎসাহ দেয়, প্রকৃতি পর্যবেক্ষণকে ইবাদতের মর্যাদা দেয়। তার কাছে সবচেয়ে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল ইসলামের ন...

এই তো আমরা

Image
  আমরা সবাই একটা নীরব বুদবুদের মধ্যে আটকে আছি, যার দেয়ালের বাইরে দেখা অসম্ভব। এই বুদবুদ স্বচ্ছ নয়, এটা আলোর সীমা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ, এবং এখানেই মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন ও বিপজ্জনক প্রশ্নের জন্ম হয়: মহাবিশ্বের বাইরে কী আছে? আমরা যে মহাবিশ্ব দেখি, সেটা আসলে মহাবিশ্বের সেই অংশ যেখান থেকে আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এই আলো আমাদের চোখে এবং টেলিস্কোপে পৌঁছাতে কোটি কোটি বছরের যাত্রা করেছে। মহাবিশ্বের সবচেয়ে দূরের তারাগুলো, যেগুলোকে আমরা আজ ঝিকমিক করতে দেখি, সেগুলো আসলে ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সেগুলোকে “এখন” দেখছি না, বরং তাদের অতীত দেখছি। এর পরে অন্ধকার। সম্পূর্ণ নীরব এবং শব্দহীন অন্ধকার। কিন্তু মনে রাখবেন, অন্ধকারের অর্থ শূন্যতা নয়। এই মহাবিশ্ব একটা বেলুনের মতো ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে সব দিকে সমানভাবে প্রসারিত হচ্ছে, এবং এই প্রসারণ এই শতাব্দীর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে: আমাদের মহাবিশ্বের বাইরে কি অন্য মহাবিশ্ব আছে? যদি কখনো আমরা এমন আলো শনাক্ত করি যা পৃথিবীতে পৌঁছাতে পনেরো বিলিয়ন বছর বা তার বেশি সময় নিয়েছে, তাহলে সেটা প্রমাণ হবে যে সেই আ...
Image
  কিছু মানুষ বলে—আমরা রব্ব প্রতিপালক ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না। কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো, মানুষ আসলে কী? কেউ আমাদের ওপর বিশ্বাস করুক বা না করুক, তাতে আমাদের সত্তার কী পরিবর্তন হয়? ঠিক তেমনই, কেউ ঈশ্বরে বিশ্বাস করুক বা না করুক—তাতে ঈশ্বরের সত্তায় কোনো পার্থক্য ঘটে না। পার্থক্যটি ঘটে কেবল মানুষের ভেতরেই। যদি আমরা মহাবিশ্বের দিকে তাকাই, তাহলে সর্বত্র এক মহিমান্বিত ভারসাম্য দেখতে পাই। বিশেষ করে পৃথিবীর দিকে তাকালে বিস্মিত হতে হয়—কারণ পৃথিবী এক নয়, চার ধরনের গতিতে চলছে: নিজের অক্ষে ঘুরছে, সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, সূর্যের সঙ্গে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির চারদিকে ঘুরছে, আর পুরো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি অ্যান্ড্রোমিডা গ্যালাক্সির দিকে এগিয়ে চলেছে। তবু আমরা কখনোই অনুভব করি না যে পৃথিবী চলমান। এই আশ্চর্যজনক ভারসাম্য কে বজায় রেখে চলেছে? মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়—সবকিছুই গতিশীল। তবু পুরো ব্যবস্থাটি এক নিখুঁত ভারসাম্যের সঙ্গে চলছে। আজ আপনি যদি মহাশূন্যে গিয়ে কয়েকশ বিজ্ঞানী নিয়ে মাত্র দুইটি জিনিসকে সম্পূর্ণ ভারসাম্যে রাখতে চান, আপনি তা পারবেন না। অথচ মহাবিশ্বে প্রায় ২৪ অক্টিলিয়ন নক্ষত্র রয়েছে, ...
Image
 " ফিরাউনের জাদুকরের মাথা নত থেকে আজকের এক আগন্তুকের এই দাবী ' আমি শয়তানদের নবী আমার বয়স ৪৫৬, আমি এসেছি সমাজ পরিবর্তন করতে" কারীর মাথা নত পর্যন্ত " । সোশ্যাল মিডিয়ার রঙিন ও কোলাহলপূর্ণ জগতে কিছু মানুষ থাকে, যারা কেবল চেহারা বা বক্তব্যের জন্য নয়—নিজেদের জীবনের বাঁকবদলের জন্য ইতিহা،স হয়ে যায়। তেমনই একজন নাম—এফে বায়জান, যিনি দীর্ঘদিন “জেবানি এফে” নামে পরিচিত ছিলেন। একসময় নিজেকে তিনি পরিচয় দিতেন রহস্যময় ও ভীতিকর এক পরিচয়ে— “৪৫৬ বছর বয়সী জেবানি”, “জাহান্নামের রক্ষক”, এমনকি “সাতানিস্টদের নবী” বলেও। তার পিঙ্ক চুল, ট্যাটু, পিয়ার্সিং আর কঠোর বক্তব্য—সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন বিতর্ক, কৌতূহল আর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু সময় থেমে থাকে না। আর মানুষের অন্তর—সবচেয়ে গভীর পরিবর্তনের স্থান। এক সাক্ষাৎকারে সে বলে  “২০২৪ সালের ৬ জুন, তুরস্কের ১৫% মানুষ শয়তানবাদী হয়ে যাবে। ৩ বছর আগে আমার একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম এটা নিয়ে। সহকারী মাস্টার এটা আমাকে নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন।” । “আমি একটা মানুষের শরীরে আছি, আসলে আমি এখন মানুষ নই। আমার দুটো জিন আছে।” “০৬/০৬/২০২৪ তারিখে, তুরস্কের...
Image
  আমরা কি “অতীতে” বাস করছি? সময়–স্থান, টেলিপোর্টেশন এবং বাস্তবতার মরীচিকা আমার বন্ধুরা! কখনো কি ভেবে দেখেছেন যে, যে দুনিয়াকে আপনি "বর্তমান" (present) বলেন, সেটা কি সত্যিই "বর্তমান" নাকি অতীত ( past) যখন আপনি রাতে আকাশের তারাগুলো দেখেন, অথবা সকালে সূর্যের প্রথম রশ্মি অনুভব করেন, তখন আপনি আসলে "এখন" (নাউ)-কে দেখছেন না, আপনি "অতীত" (পাস্ট)-কে দেখছেন। বিজ্ঞান আমাদের এক ভয়ংকর সত্য বলে: "মানুষ কখনোই 'বর্তমান'-কে দেখতে পারে না।" আমরা সবাই একটা "টাইম ল্যাগ" (টাইম ল্যাগ)-এ বেঁচে আছি। আমাদের চোখ আমাদের ধোঁকা দিচ্ছে। আজ আমরা সময় (টাইম), আলোর গতি (স্পিড অফ লাইট) এবং কুরআনে বর্ণিত "চোখের পলকে তখত আনা" (টেলিপোর্টেশন)-এর ঘটনার এমন একটা পোস্টমর্টেম করব যে আপনার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাবে। বিজ্ঞান এবং কুরআন কি একই সত্যের দুটি দিক? চলুন দেখি। প্রথমে ফিজিক্সের একটা মৌলিক নিয়ম বুঝে নিই। আমরা কোনো জিনিস কীভাবে দেখি? যখন আলো (লাইট) কোনো জিনিসে ধাক্কা খেয়ে আমাদের চোখে পৌঁছায়, তখনই আমরা সেই জিনিসটা দেখতে পাই। কিন্তু আলোরও এ...