মহাকাশে এক বিশাল সমুদ্র

 মহাকাশে এক বিশাল সমুদ্র


...!!!


“যদি আমি বলি যে ‘মহাকাশে’ পৃথিবীর সব সমুদ্রের চেয়েও বেশি পানি আছে — আপনি হয়তো বিশ্বাস করবেন না… কিন্তু মহাবিশ্ব এত বিশাল যে, এর ভেতর কিছুই অসম্ভব নয়। মহাবিশ্ব এতই ব্যাপক ও অগাধ যে, আমেরিকার উন্নত প্রযুক্তিও এখনো তার সম্পূর্ণ রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে ব্যর্থ।”


জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বে আবিষ্কার করেছেন “পানির সবচেয়ে বড় ও প্রাচীনতম ভাণ্ডার”।

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই পড়েছেন ও শুনেছেন।

নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, এই পানি প্রায় ১২ বিলিয়ন (১২০০ কোটি) বছর পুরোনো।

এটি আসলে এক বিশাল মেঘ, যা পৃথিবী থেকে এত দূরে যে তাতে পৃথিবীর সব সমুদ্রের পানির ১৪০ ট্রিলিয়ন গুণ বেশি পানি রয়েছে!

ভাবুন তো, এই পানির বিস্তৃতি কত বিশাল হতে পারে!


এই ‘সমুদ্র’ আমাদের থেকে প্রায় ১২ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে।

নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এই “সমুদ্র”-এর চারপাশে রয়েছে এক বিশাল ব্ল্যাক হোল,

যাকে নাসা নাম দিয়েছে “কোয়াসার (Quasar)”।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, যেহেতু ব্ল্যাক হোলের আশেপাশের পরিবেশ উপযুক্ত,

তাই এই পানি আসলে কোয়াসার থেকেই উৎপন্ন হচ্ছে।

এ কথাই বলেছেন নাসার বিখ্যাত বিজ্ঞানী ম্যাট ব্র্যাডফোর্ড।


জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আরও বলেছেন,

এই ব্ল্যাক হোলটি এত শক্তিশালী যে, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী ব্ল্যাক হোলের তুলনায় ২০ বিলিয়ন গুণ বেশি শক্তিশালী।

নাসার বিজ্ঞানী ম্যাট ব্র্যাডফোর্ডের আরও বক্তব্য,

আমাদের “মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি”-তে যত পানি আছে—তা তরল কিংবা বরফ আকারে—

এই পানির ভাণ্ডার তার চেয়ে প্রায় চার হাজার গুণ বেশি।

এ থেকেই আমরা আন্দাজ করতে পারি, এর আয়তন কত বিশাল হতে পারে!


“নিঃসন্দেহে—এই বিশাল সাগরকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন।”


উর্দু লেখক গবেষক তেহসিন উল্লাহ খান 


إن الله على كل شيء قدير

Comments

Popular posts from this blog

আমি কেন আল্লাহকে মানি ?

মেরাজের যাত্রা টেলিস্কোপ এবং ধারণার বাইরে